শিক্ষা ও প্রতিফলনের মাধ্যমে আপনার বিশ্বাসকে গভীর করুন

পড়া, শোনা, বা সেমিনারগুলোতে অংশগ্রহণ করা – যাই হোক না কেন, Hora Ministries আপনাকে পরিত্রাণের ইতিহাস সিরিজের মাধ্যমে ঈশ্বরের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ পথে চলতে দিকনির্দেশনা দেয়

 

বইগুলোকে অন্বেষণ করুন

আমাদের পুস্তকসমূহ

পরিত্রাণের ইতিহাস সিরিজ

বই ১

(Bengali Book 1) – দ্য জেনেসিস জিনিয়লজিস

গড’স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইন দ্য হিস্ট্রি অফ রিডেম্পশন

বই ২

(Bengali Book 2) – দ্য কোভেনান্ট অফ দ্য চার্চ

এ ফরগটেন এনকাউন্টার ইন দ্য হিস্ট্রি

বই ৩

(Bengali Book 3) – চুক্তির অনির্বাণ দীপ

যীশু খ্রীষ্টের বংশতালিকার প্রথম চোদ্দটি প্রজন্ম

বই ৪

(Bengali Book 4) – ঈশ্বরের গভীর এবং রহস্যময় তত্ত্বাবধান

দায়ূদের সময় থেকে ব্যাবিলনে নির্বাসনের সময়

বই ৫

(Bengali Book 5) – চিরন্তন চুক্তির প্রতিশ্রুতি

যীশু খ্রীষ্টের বংশতালিকায় প্রকাশিত ঈশ্বরের গভীর দূরদর্শিতা (নির্বাসন-পরবর্তী সময়কাল)

বই ৬

(Bengali Book 6) – চুক্তি শপথের অনন্তকালীন মহাযাজক

হারোণ থেকে পীনহস পর্যন্ত মহাযাজকদের ৭৭টি প্রজন্মের ইতিহাস

বই ৭

(Bengali Book 7) – সকল প্রজন্মের জন্য শাশ্বত চুক্তি: দশ আজ্ঞা

গড’স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইন দ্য হিস্ট্রি অফ রিডেম্পশন

বই ৮

(Bengali Book 8) – Coming Soon শীঘ্রই আসছে

দশ মহামারী, যাত্রা এবং কনান দেশে প্রবেশ

বই ৯

(Bengali Book 9) – Coming Soon শীঘ্রই আসছে

সমাগম তাম্বুর এবং নিয়ম-সিন্দুকের বিস্তারিত ও এর স্থানান্তরের ইতিহাস

বই ১০

(Bengali Book 10) – Coming Soon শীঘ্রই আসছে

আব্রাহামের প্রতি প্রদত্ত মহাজাগতিক আশীর্বাদ এবং তার আনুগত্যের মাধ্যমে মুক্তির ইতিহাসের পরিপূর্ণতা

বই ১১ক

(Bengali Book 11A) – Coming Soon শীঘ্রই আসছে

যিহিষ্কেলকে দেখানো নতুন মন্দিরের আদর্শ রূপ এবং এর মধ্যে নিহিত মুক্তির রহস্যময় পরিচালনা

বই ১১বি

(Bengali Book 11B) – Coming Soon শীঘ্রই আসছে

সরুব্বাবিলের মন্দির এবং যিরূশালেমের প্রাচীরের নির্মাণ প্রক্রিয়া, বংশতালিকাগুলোতে রহস্যময় মুক্তিমূলক পরিচালনা

জীবনসাক্ষ্যসমূহ

পরিচর্যার নেতারা যা বলছেন

“তাঁর মহান সেবাকার্য এবং তিনি যে বিশাল এক গির্জার পালক তার কারণটির বর্ণনা এই পুস্তকটি প্রদান করে... এটি এক সযত্ন বাইবেল অধ্যয়ন... যা এমন একজন লিখেছেন যাঁর বাইবেলের উপলব্ধি বিস্তারিত ও গভীর... এটি প্রকৃতই এমন একটি কাজ যেখানে রয়েছে বহু বিষয়ের আলোচনা – কেবল সৃষ্টির উৎস বা আদিপুস্তক নিয়েই নয়... রেভারেণ্ড পার্ক পিতৃপুরুষদের বংশতালিকা থেকে মুক্তি এবং পরিত্রাণের মহান ঐতিহাসিক ভিত্তি আবিষ্কার করেছেন... এগুলি কেবল পিতৃপুরুষদের জীবন-কাহিনী নয়, পাঠককুল সেগুলিকে চিহ্নিত করতে পারেন তাদের বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে। বাইবেলকে একটি পুস্তকে রূপান্তর করা যা হল ‘আমার কাহিনী’ তা এই পুস্তকটির অসামান্য কৃতিত্ব।”

—ডাঃ কিয়ুং-বায়ে মিন, টিএইচ.ডি. অনারারি প্রফেসর, ইয়নসেই ইউনিভার্সিটি, সিউল

“বাইবেলের আধ্যাত্মিক রহস্য উদ্ঘাটন... রেভারেণ্ড পার্ক সম্ভবত সেই ভাষা-জাদুকর যাঁকে এই অস্থির সময়ে প্রভু আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন, যখন ঈশ্বর-বাক্য হ্রাসমান... তিনি এমন দুরূহ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা ধর্মতাত্ত্বিকদেরও সহজগম্য নয়... অসাধারণ এবং প্রশংসিত এক কৃতিত্ব... আমি আনন্দের সঙ্গে ‘আদিপুস্তক বংশতালিকা’ পুস্তকটিকে সারা বিশ্বের সব গির্জাগুলিকে সুপারিশ করি, কারণ এটি কেবল খ্রীষ্টানদের আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে না, বরং এটি তাদের জন্যও অতি প্রয়োজনীয় যারা পরিপক্ক বিশ্বাসীর জীবন কামনা করে।”

—ডাঃ অ্যান্ড্রু জে. তেসিয়া, পিএইচ.ডি. প্রেসিডেন্ট, রিসার্চ ইন্সটিটিউট অফ রিফর্মড থিওলজি, লস এঞ্জেলেস

“আজকের দিন পর্যন্ত, কোন ধর্মতত্ত্ববিদ অথবা প্রচারক, পরিত্রাণ ইতিহাসের পরিচালনায় যীশু খ্রীষ্টের বংশতালিকার মধ্যে দেওয়া, পুরাতন নিয়মের পশ্চাৎপট খুঁজে বের করার প্রয়াস করেননি।”

— ডাঃ ইয়ং-সু য়ে ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অফ চার্চেস এন্ড মিনিস্ট্রিজ-এর সভাপতি

“সরল ভাষায় বলতে গেলে, তাঁর ধর্মতত্ত্ব হল চুক্তি সংক্রান্ত এবং পরিত্রাণমূলক ইতিহাস সংক্রান্ত। বাইবেল হল একটি চুক্তির পুস্তক, যার প্রথমটিতে ছিল নারীর বীজ সম্পর্কিত প্রতিজ্ঞা, যেটি দেওয়া হয়েছিল আদিপুস্তক ৩:১৫ পদে, আদম ও হবার পতনের পর। যীশু খ্রীষ্টের আগমন এবং নতুন নিয়ম স্থাপন করা পর্যন্ত, ঈশ্বর ক্রমাগত ভাবে সেই চুক্তিটিকে নবীকরণ করেছিলেন। যীশু খ্রীষ্টের বংশতালিকার মাধ্যমে লেখক এই বিষয়টি স্পষ্ট রূপে ব্যাখ্যা করেছেন।”

—বিশপ কোয়াং-ইয়ং জাং কোরিয়ার মেথডিস্ট মণ্ডলীর বিশপস্ এসোসিয়েশন-এর প্রাক্তন সভাপতি

“আমি এখনো পর্যন্ত ৪০টিরও বেশি পুস্তক রচনা করেছি। আমি এই পুস্তকের লেখককে আমার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক স্তরের আবিষ্কার করেছি। আমার রচনা নিছকই পাণ্ডিত্যপূর্ণ অধ্যয়ন, কিন্তু এই লেখকের পুস্তক হল এক গভীর আত্মিক অধ্যয়ন যা সমগ্র বাইবেলের মধ্যে প্রবেশ করেছে। পরিত্রাণের ইতিহাসের এই ক্রমিক এমন এক কাজ যা বাইবেল সম্পর্কে সর্বাঙ্গীন বোধ এবং অন্তর্দৃষ্টি না থাকলে সম্ভব নয়। তিনি যেভাবে যীশুর বংশতালিকার অংশ প্রকাশ করেছিলেন তা এই পর্যন্ত কোনো পণ্ডিত অথবা ধর্মতাত্ত্বিক করতে পারেননি। এই পুস্তকের মাধ্যমে, লেখক সুস্পষ্টভাবে সেই পথ নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন যা এই জগত, গির্জা, এবং শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের অনুসরণ করা প্রয়োজন। আমার বিশ্বাস যে বর্তমানে কোরিয়ার গির্জার এই আত্মিক অনটনের সময়ে এই পুস্তক হল আশীর্বাদের এক সুমিষ্ট বর্ষণ।”

—ডঃ ইয়ং-কুক ওন সাম্মানিক অধ্যাপক উপদেষ্টা আনিয়াং বিশ্ববিদ্যালয় কোরিয়ান বাইবিলিক্যাল আর্কিওলজি সোসাইটি

“পরিত্রাণের ইতিহাস সিরিজে ডঃ আব্রাহাম পার্ক-এর সারা জীবনের কাজ তাঁর গভীর সংস্কারবাদী বিশ্বাসের উৎস থেকে গভীরভাবে আহৃত। চুক্তি ধর্মতত্ত্বের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের থেকে এই সংস্কারবাদী পালকের বৈশিষ্ট্য চিহ্নিতকারী ধারণা আর কিছু নেই। এই একটি বিষয়ই শাস্ত্রবাক্যের একক কর্তৃত্বকে, চুক্তিতে তাঁর পরিত্রাণকারী উদ্দেশ্যকে পূরণ করতে সকল ইতিহাসের দিকনির্দেশে ঈশ্বরের অনন্য সার্বভৌমত্বকে, সেইসঙ্গে কুমারী নারীর গর্ভে জাত হিসাবে মানবজাতির একমাত্র ত্রাতা যীশু খ্রীষ্টের অনন্যতাকে ব্যক্ত করে। সংস্কারবাদী এবং স্বীকারোক্তিমূলক ধর্মতত্ত্বের জন্য যা প্রধান এবং চূড়ান্ত তার প্রতি তাঁর সম্পূর্ণ অঙ্গীকারই ডঃ পার্ক-এর জীবন এবং সেবাকার্যে প্রকাশিত হয়। তাঁর জীবনের কাজ চুক্তির বংশ তালিকাকে আমাদের প্রভু ঈশ্বরের আনুগত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে।”

—ডঃ ওয়ারেন গেজ নক্স থিওলজিক্যাল সেমিনারি-এর এমেরিটাস অধ্যাপক